ভাইরাস
যারা উইন্ডোজ (windows) ব্যবহার করে থাকেন তারা ভাইরাস নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন।
ভাইরাস হলো এক ধরণের সফটওয়্যার যা কোন উপকারে না এসে বরং ক্ষতি করে থাকে। অর্থাৎ এটি চালু হলে কম্পিউটার সিস্টেমের কোন ফাইল ডিলিট করে দেয় অথবা অস্বাভাবিক আচরণ করে থাকে যা খুবই বিরক্তিকর। ভাইরাস নিজে নিজেই চালু হয় এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে আর সুযোগ পেলে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে। কোন কোন ভাইরাস বায়োস বা হার্ডডিস্কের ক্ষতি করতে পারে।
VIRUS = Vital Information Resources Under Seize (গুরুত্বপূর্ণ উৎসগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে)
ওয়ার্ম
ওয়ার্ম হলো স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম যা রান করার জন্য অন্য কোন প্রোগ্রামের উপর নির্ভরশীল নয়। এটি সাধারণত ওয়েব ব্রাউজার অথবা নেটওর্য়ার্কের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। এটি গোপনীয় ফাইল ও রেজিষ্ট্রার কী কে পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। সাধারণত কোন সিস্টেমের এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ প্রিভিলাইজ (Administrative Privilege) গ্রহণ করার জন্য হ্যাকাররা এটি ব্যবহার করে।
ট্রজান হর্স
ট্রজান হর্স খুবই মারাত্বক। ইহা কোন প্রোগ্রামে ছদ্দবেশে থাকে। ট্রজান হর্স দ্বারা আক্রান্ত কোন প্রোগ্রাম চালু করলে ফাইল বা ডিরেক্টরি মুছে যেতে পারে বা সমগ্র হার্ডডিস্ক ফরমেট হয়ে যেতে পারে।
ভাইরাসের লক্ষণ –
১. কম্পিউটার বুট হতে বেশি সময় নেয়া।
২. কোন প্রোগ্রাম লোড হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয়া।
৩. exe ফাইল করাপ্টেড হওয়া।
৪. কম্পিউটার অন করতেই বা চলতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে অপ্রত্যাশিত error মেসেজ দেখানো।
৫. ফোল্ডার অথবা ফাইলের নামের অনুরুপ অহেতুক একটি exe বা এক্সিকিউটিভ ফাইল তৈরি করা।
৬. ফোল্ডার অপশন ডিজেবল কিংবা হাইড হয়ে যাওয়া।
৭. কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়া।
৮. কোন ফাইল ফোল্ডার হাইড বা সুপার হাইড হয়ে যাওয়া যা প্রোপার্টিজ থেকে আন হাইড করা যায় না।
৯. টাস্ক ম্যানেজার কাজ না করা।
যে ভাবে ভাইরাস ছড়ায় –
১. পেন-ড্রাইভ, মেমোরি কার্ড, সিডি/ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদির মাধ্যমে ডেটা বা কোন তথ্যের আদান প্রদান করলে।
২. পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করলে।
৩. ইন্টারনেট, ই-মেইল বা এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগের কারণে।
৪. ভাইরাস আক্রান্ত ফাইলে দুই ক্লিক করলে বা চালানোর চেষ্টা করলে।
ভাইরাস প্রতিরোধ ও প্রতিকার –
প্রতিরোধ-
ভাইরাস যেন কম্পিউটারকে আক্রান্ত করতে না পারে সে জন্য প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
এজন্য দরকার শক্তিশালী Antivirus Program. নিচে কয়েকটি এন্টিভাইরাসের নাম দেয়া হলো –
- BitDefender Antivirus 2011 ($49.95 3PCs for 1 year)
- McAfee Antivirus Plus 2011 (3-User $9.60) ***
- Vipre Antivirus 2011 ($29.95)
- Norton Antivirus 2011 ($ 39.99) ***
- F-Secure Antivirus 2011 (€ 39,90) ***
- ESET NOD32 Antivirus 4 ($39.99- 1year; $59.99-2years)
- Kaspersky Antivirus 2011 ($99.95- 3pc/1year) ***
- TrendMicro Titanium Security ((US$69.95/1year)
- ZoneAlarm Antivirus 2011 ($29.95)
- Panda Antivirus 2011 pro (For only US $50.99/ 3 PCs - 1 Year) ***
- G Data Antivirus 2011
- CA Antivirus 2011 (1 year/3pc- $49.99)
- Avanquest SystemSuite 11 Professional ($59.95)
- Avira Antivir Premium 2011 ***
- Sophos Endpoint Security 2011
- Comodo Antivirus 2011
- PC Tools Spyware Doctor with Antivirus 2011
- Quick Heal Antivirus 2011
- AVG Antivirus 2011 ***
- Microsoft Security Essentials 2011 **
- avast ***
বাংলাদেশের বাজারে কম্পিউটারের জন্য কোন এন্টি-ভাইরাসই ১,০০০/- টাকার নিচে নয়। ইন্টানেট থেকে কোন কোন এন্টিভাইরাস ফ্রি ডাউনলোড করা যায়। কোনটির ৩০ দিনের ফ্রি ট্রায়াল পাওয়া যায়।
একেকটি এন্টিভাইরাস একেকটি ভাইরাসের জন্য বেশি কার্যকরী। কোন এন্টিভাইরাস ক্রয়ের পর সাধারণত এক বছর সময় দেয়া থাকে। এর পর এটিকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপডেট করতে হয়। কারণ সবসময় নতুন নতুন ভাইরাস তৈরি হচ্ছে।
ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য কিছু সাবধানতা –
১. কোন ফাইল অন্য কম্পিউটার হতে কপি করে আনা হলে বা ইন্টারনেট হতে ডাউনলোড করা হলে সেটা এন্টি-ভাইরাসের মাধ্যমে স্ক্যান করা উচিত।
২. পাইরেটেড সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ায়, তাই অরিজিনাল সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত।
৩. অটোরান বন্ধ রাখা উচিত।
৪. স্বয়ংক্রিয় ব্যাচ (Autoexec.bat) ফাইলে ভাইরাস প্রতিরোধক প্রোগ্রাম সংযোজন করতে হবে। এতে কম্পিউটার প্রতিবার অন হওয়ার পর এবং বাইরের কোন ড্রাইভ প্লাগ করার সাথে সাথে ভাইরাস চেক করবে।
৫. যখন পেন-ড্রাইভ দিয়ে কোন ডাটা আদান প্রদান করার প্রয়োজন হয় তখন তা জিপ (zip) করে পেন-ড্রাইভে ভরতে হবে (সফটওয়্যার হলে অবশ্যই জিপ করতে হবে)। কারণ জিপ করা ফাইলে ভাইরাস ঢুকতে পারে না।
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::: touhid1010™ :::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
No comments:
Post a Comment